Posts

Showing posts with the label 'ঈদে মীলাদুন নবী'

কুরআন ও হাদিসের আলোকে মিলাদুন্নবী

Lecture : Milad-Un-Nabi or Mawlid-Un-Nabi  صلى الله عليه و آله وسلم - Masum Billah Sunny এখানে যা যা বলা হয়েছে :- ১) মিলাদুন্নবী (সা) কুরআনের আলোকে ২) মিলাদুন্নবী (সা) হাদিসের আলোকে ৩) মিলাদুন্নবী (সা) উদযাপনে জগত বিখ্যাত ইমাম,মুহাদ্দিসিন,মুফাসসিরিন,মুজাদ্দিদিন গনের আকিদা মিলাদ-উন-নবী বা মাওলিদ-উন-নবী  صلى الله عليه و آله وسلم এর অর্থ (Meaning) :- মিলাদ অর্থ জন্মবৃত্তান্ত আর  আন-নবী মানে আমাদের নবী  صلى الله عليه و آله وسلم বিস্তৃত ভাবে বলতে গেলে:- Meaning:- আসুন আমরা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিষয়টা কি সেটা বুঝার চেষ্টা করি | মূলত ঈদ অর্থ হচ্ছে খুশি বা আনন্দ প্রকাশ করা | আর "মীলাদ ও " নবী" দুইটি শব্দ একত্রে মিলিয়ে হয় মীলাদুন্নবী | " মীলাদের" তিনটি শব্দ রয়েছে - ميلاد মীলাদ, مولد মাওলিদ, مولود মাওলূদ | মীলাদ শব্দের অর্থ হচ্ছে, জন্মবৃত্তান্ত (মানে হল বিস্তৃতভাবে বংশবৃত্তান্ত, স্থান-কালসহ আলোচনা করা) অর্থাৎ, আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থে ميلاد النبي বা " মীলাদুন্নবী" বলতে হুজুর পাক ছল্লাল্ল...

মুফতি বায মিলাদুন্নবী উদযাপন বর্জনীয় বিদআত ও নাজায়েজ প্রমাণ করতে গিয়ে যে চারখানা হাদিস শরীফ উল্লেখ করেছে নিম্নে তার ব্যাখ্যাসহ তার দাবি খণ্ডন করা হল-

Image
মুফতি বায মিলাদুন্নবী উদযাপন বর্জনীয় বিদআত ও নাজায়েজ প্রমাণ করতে গিয়ে যে চারখানা হাদিস শরীফ উল্লেখ করেছে নিম্নে তার ব্যাখ্যাসহ তার দাবি খণ্ডন করা হল- ১.তার উল্লেখিত প্রথম ও দ্বিতীয় হাদিসদ্বয়ের মর্মার্থ প্রায় একই ধরণের। হাদিস শরীফখানা হল এই- عن عائشة رضى الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من احدث فى امرنا هذا ما ليس منه فهو رد০ (متفق عليه) অর্থাৎ ‘হযরত আয়েশা সিদ্দিকা আলাইহাস সালাম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন যে, যে ব্যক্তি আমাদের এই ধর্মে এমন কোন নতুন কিছু প্রচলন করল যা ধর্মের মধ্যে নেই তা প্রত্যাখ্যাত হবে। (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)’ উপরোক্ত হাদীসে বর্ণিত ما ليس منه (যা ধর্মের মধ্যে নেই) এর ভাবার্থ হলো যা ধর্মের বিপরীত ও ধর্মের পরিবর্তনকারী। যেমন আল্লামা শেখ আব্দুল হক মোহাদ্দিসে দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি ‘আশআতুল লোময়াত’ কিতাবের এ হাদীসের ব্যাখ্যায় লিখেন - ومراد جيزى است كه مخالف ومغير ان باشد অর্থ হাদিস শরীফ দ্বারা এটাই বুঝানো হয়েছে, যা ধর্মের বিপরীত ও ধর্ম পরিবর্তনকারী। শেখ আব্দুল হক মোহাদ্দিসে দেহলভী রহমতুল্লাহি আল...

সহীহ হাদীস শরীফ দ্বারা প্রমানিত ১২ ই রবিউল আউয়াল সোমবার হচ্ছে ঈদে মীলাদুন্নবী

Image
ধর্মব্যবসায়ী, মুনাফিক,ভন্ড,শ্রেনীর কিছু লোক  মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য বলে থাকে নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ উনার তারিখ নিয়ে মতভেদ আছে। তাই মতভেদ যুক্ত বিষয়ে আমল করা যাবে না অর্থাৎ ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা যাবে না । নাউযুবিল্লাহ !! আসলে এই বাতিল ফির্কাগুলা মুনাফিক হএয়ার কারনে সত্য বিষয় গোপন করে। দেখুন সহীহ হাদীস শরীফে হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফের তারিখ,বার, মাস সবই বর্ণনা করা আছে ।  হাফিজে হাদীস হযরত আবু বকর ইবনে আবী শায়বা রহমাতুল্লাহি আলাইহি যেটা বিশুদ্ধ সনদে হাদীস শরীফে বর্ননা করেন- ﻋﻦ ﻋﻔﺎﻥ ﻋﻦ ﺳﻌﻴﺪ ﺑﻦ ﻣﻴﻦ ﻋﻦ ﺟﺎﺑﺮ ﻭﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﻗﺎﻝ ﻭﻟﺪ ﺭﺳﻮﻝ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻋﺎﻡ ﺍﻟﻔﻴﻞ ﻳﻮﻡ ﺍﻻﺛﻨﻴﻦ ﺍﻟﺜﺎﻧﻲ ﻋﺸﺮ ﻣﻦ ﺷﻬﺮ ﺭﺑﻴﻊ ﺍﻻﻭﻝ অর্থ : হযরত আফফান রহমাতুল্লাহি আলাইহি হতে বর্নিত,তিনি হযরত সাঈদ ইবনে মীনা রহমাতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ননা করেছেন যে, হযরত জাবির ও হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ হস্তি বাহীনি বর্ষের ১২ই রব...

ঈদে মীলাদুন নবীর দলিল পবিত্র কুরআন শরীফেই আছে

Image
১২ রবিউল আ্উয়াল শরীফ উপলক্ষে খুশি করতে হবে, কি না হবে এটা নিয়ে ডিবেট করে। বলে এর কোন দলিল নাই। অথচ পবিত্র কু্রআন পাকেই এ ব্যাপারে স্পষ্ট দলিল আছে, এর ব্যাখ্যার জন্য হাদীস শরীফে যাওয়ার দরকার নাই। আসুন সূরা ইউনুস এর ৫৭ ও ৫৮ নং আয়াত দুটি দেখি  يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُم مَّوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّكُمْ وَشِفَاءٌ لِّمَا فِي الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ - قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوا هُوَ خَيْرٌ مِّمَّا يَجْمَعُونَ অর্থ: “হে মানবজাতি! অবশ্যই মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে তোমাদের নিকট এসেছেন নসিহতকারী, অন্তরের পরিশুদ্ধতাদানকারী, হিদায়েত দানকারী ও ঈমানদারদের জন্য রহমত দানকারী। হে রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তারা যে মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ হতে ‘ফযল ও রহমত’ পেয়েছে সে জন্য তারা যেনো খুশি প্রকাশ করে। নিশ্চয় তাদের এ খুশি প্রকাশ করাটা তাদের সমস্ত সঞ্চয়ের থেকে উত্তম।   (সূরা ইউনুস শরীফ : ৫৭-৫৮) সূরা ইউনুসের ৫৭ ও ৫৮ নং আয়াতে বোঝা যাচ্ছে, মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ যে বিষয়টি এসেছে, তার জন্য খুশি প...
Image
রাসূল পাক পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সমস্ত কায়িনাত বা সৃষ্টি জগতের মূল উৎস। তিনি আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীনের সকল নিয়ামতের উৎস। উনার সন্তুষ্টি ব্যতিত আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি কখনোই পাওয়া সম্ভব নয়। উনাকে যে ব্যক্তি মুহব্বত করে আল্লাহ পাকে তাকে মুহব্বত করেন। আর উনাকে মুহব্বত না করে কারো পক্ষে মু'মিন হওয়া কষ্মিন কালেও সম্ভব নয়। হাদীস শরীফে এরশাদ হয়েছে- لا يؤمن احدكم حتي اكون احب اليه من والده ووالده والناس اجمعين وفي رواية من ماله و نفسه অর্থ : তোমরা কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মু'মিন হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত সে তার পিতা-মাতা, সন্তান সন্তুতি, এবং সমস্ত মানুষ অপেক্ষা আমাকে বেশি মুহব্বত না করবে। অন্য বর্নায় এসেছে, তার ধন সম্পদ এবং জীবনের চাইতে বেশি মুহব্বত না করবে।" দলীল- √ বুখারী শরীফ ১/৭-কিতাবুল ঈমান- হাদীস নম্বর ১৪ এবং ১৫। এ সহীহ হাদীস শরীফ থেকেই বুঝা গেলো, নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সবকিছুর চাইতে বেশি মুহব্বত করাই হচ্ছে ঈমান। আর নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুহব্বতে উনার আগমন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করাটাই হচ্ছে...
Image
বর্তমানে যারা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্ননবীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে তাদের জিজ্ঞাসা করলে তারাই স্বীকার করবে তাদের একমাত্র পছন্দনীয় ইমাম হচ্ছে ইবনে তাইমিয়া। এরা ইমামে আযম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে শুরু করে সকল ইমাম মুস্তাহিদ আওলিয়ায়ে কিরামের বিরোধীতা করলেও ইবনে তাইমিয়ার কোন বিরোধীতা করে না। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে তাদের কোন ফতোয়া যদি নিজেদের মন মত না হয় তবে সেটা সযত্নে গোপন করে রাখে। কিন্তু সত্য কি গোপন রাখা যায়? ওহাবীদের গুরু ইবনে তাইমিয়া (১২৬৩খৃঃ – ১৩২৮খৃঃ) তার কিতাব “ইক্তিদায়ে সিরাতে মুস্তাকীম” এ লিখেছে, যদি কোন ব্যাক্তি হযরত হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের অনুসরনে অথবা রসূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মুহব্বতে সম্মান প্রদর্শনের জন্য মিলাদ মাহফিল করে থাকে তবে আল্লাহ এ মুহাব্বত ও সম্মান প্রদর্শনের কারণে সওয়াব বা প্রতিদান দেবেন।” (দলীলঃ ইক্তিদায়ে সিরাতে মুস্তাকীম পৃঃ ২১৯)। একই কিতাবের অন্যত্র সে লিখেছে, “বরং ঐ দিনে (রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জন্মদিনে) পরিপূর্ণরূপে অনুষ্ঠান করা এবং এ দিনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা, উত্তম নিয়ত এবং হুজুরে পাক ছল্লাল্লাহু আল...

বিখ্যাত সকল মনীষী ওলী, আউলিয়া এবং স্বয়ং সাহাবায়ে কিরামগন পালন করেছেন, "সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ"

Image
আজকালের নামধারী আলেমগুলো মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উনাকে বিদআত বলে ফতোয়া দিচ্ছে অথচ বিখ্যাত সকল মনীষী ওলী, আউলিয়া এবং স্বয়ং সাহাবায়ে কিরামগন পালন করেছেন, সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উনার পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন যে সকল বিশ্ব বিখ্যাত আলেমগণ সাইয়্যিদুল আইয়াদ ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এর পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন - * হুজ্জাতুদ দীন ইমাম মুহাম্মদ বিন যুফার আল মাক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি, (সুবুলুল হুদা ওয়ার রাশাদ-১/৩৬৩) * প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ আল্লামা ইবনুল জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি, (বায়ানুল মিলাদুন্নববী-৫৮) * হাফেজ আবুল খাত্তাব বিন দাহিয়াহ কালবী রহমতুল্লাহি আলাইহি, (আল হাওয়ী লিল ফাতাওয়া-২০০) * হাফেজ শামছুদ্দিন আল জাযারী রহমতুল্লাহি আলাইহি, (আল হাওয়ী লিল ফাতাওয়া-২০৬) * ইমাম নববীর ওস্তাদ ইমাম আবু শামাহ, রহমতুল্লাহি আলাইহি (আল বায়িছ আলা ইনকারিল বিদাই ওয়াল হাওয়াদিছ-২৩,২৪) * ওহাবী-সালাফীরা যাকে ইমাম মানেন ইবনে তাইমিয়া, (ইকতেযাউস সিরাতিল মুস্তকিম-৪০৪) * আল্লামা ইবনুল হাজ মালেকী রহমতুল্লাহি আলাইহি, (আল মাদখাল-২/২-৪) * ইমাম যাহাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি, (সিয়ারু আ’লাম...

১২ রবিউল আ্‌উয়াল শরীফ উপলক্ষে খুশি করতে হবে

Image
অনেককে দেখেছি ১২ রবিউল আ্‌উয়াল শরীফ উপলক্ষে খুশি করতে হবে, কি না হবে এটা নিয়ে ডিবেট করে। বলে এর কোন দলিল নাই। অথচ পবিত্র কু্রআন পাকেই এ ব্যাপারে স্পষ্ট দলিল আছে, এর ব্যাখ্যার জন্য হাদীস শরীফে যাওয়ার দরকার নাই। আসুন সূরা ইউনুস এর ৫৭ ও ৫৮ নং আয়াত দুটি দেখি يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُم مَّوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّكُمْ وَشِفَاءٌ لِّمَا فِي الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوا هُوَ خَيْرٌ مِّمَّا يَجْمَعُونَ অর্থ: “হে মানবজাতি! অবশ্যই মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে তোমাদের নিকট এসেছেন নসিহতকারী, অন্তরের পরিশুদ্ধতাদানকারী, হিদায়েত দানকারী ও ঈমানদারদের জন্য রহমত দানকারী। হে রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তারা যে মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ হতে ‘ফযল ও রহমত’ পেয়েছে সে জন্য তারা যেনো খুশি প্রকাশ করে। নিশ্চয় তাদের এ খুশি প্রকাশ করাটা তাদের সমস্ত সঞ্চয়ের থেকে উত্তম। (সূরা ইউনুস শরীফ : ৫৭-৫৮) সূরা ইউনুসের ৫৭ ও ৫৮ নং আয়াতে বোঝা যাচ্ছে, মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ যে বিষয়টি এসেছে, তার জন্য খুশি...

~~~~~~~~~~~ শরীয়তে ঈদ কয়টি ? ~~~~~~~~~~~

Image
অনেকে বলে থাকে যে, শরীয়তে ঈদ মাত্র ২টি-  ১) ঈদুল ফিতর ও ২) ঈদুল আদ্বহা । - মূলতঃ তাদের এ বক্তব্য শুধু অশুদ্ধই নয়, বরং কুফরিফ অন্তর্ভুক্ত । কারণ, শরীয়তে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আদ্বহা এ দু’টি ঈদ ছাড়াও আরো ঈদের অস্তিত্ব রয়েছে । - হাদিস শরীফে আরো ইরশাদ হয়েছে , عن حضرت عبيد بن السباق رضي الله عنه مرسلا قال قال رسول الله صلي الله عليه و سلم في جمعة من الجمع يا معشر المسلمين ان هذا يوم جعله الله عيدا অর্থ : হযরত ওবায়িদ বিন সাব্বাক রদ্বিয়াল্লাহু আনহু মুরসাল সূত্রে বর্ননা করেন, হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক জুমুয়ার দিন বলেন, হে মুসলমান সম্প্রদায় ! এটি এমন একটি দিন যাকে মহান আল্লাহ পাক ঈদ স্বরূপ নির্ধারণ করেছেন | ( মিশকাত শরীফ , ইবনে মাজাহ , মুয়াত্তা ইমাম মালিক ) - হাদীছ শরীফ-এ আরো ইরশাদ হয়েছে- عن حضرت عبيد بن عباس رضى الله تعالى عنه انه قرا اليوم اكملت لكم دينكم الاية وعنده يهودى فقال لو نزلت هذه الاية علينا لاتخذناها عيدا فقال ابن عباس رضى الله تعالى عنه فانها نزلت فى يوم عيدين قى يوم جمعة ويوم عرفة অর্থাঃ “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থে...